স্বাধীনতার পরে সব সরকারের আমলেই শেরপুর থেকে কেউ না কেউ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সমমর্যাদার পদ পেয়েছেন। কিন্তু এবার তার ব্যত্যয় ঘটেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নেই শেরপুরের কেউ। তবে জেলার তিনটি আসনের মধ্যে দুইটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। তাই শেরপুর জেলাবাসী এখনো আশাবাদী- এই জেলা থেকে করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রীসভায় মন্ত্রী হিসেবে কাউকে নির্বাচিত করা হবে।
মুলত শেরপুর জেলার হেভিওয়েট আসন হচ্ছে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসন। তাই এই আসনের জনগন আশাবাদী, এই আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরীকে মন্ত্রী হিসেবে পদায়ন করা হবে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে শেরপুর-২ (নকলা ও নালিতাবাড়ী) আসন থেকে প্রথমবার নির্বাচিত হন বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী। এই আসনে প্রয়াত সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরী ১৯৯৬ সালে কৃষিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। ২০০১ সালের নির্বাচনে তাঁকে হারিয়ে সংসদ সদস্য হন বিএনপির জাহেদ আলী চৌধুরী। তাঁকে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় সরকারি দলের হুইপ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। অবশ্য ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে আবারও মতিয়া চৌধুরী জয়ী হয়ে কৃষিমন্ত্রী হন। তিনি ২০২৪ সালের দ্বাদশ সংসদ পর্যন্ত মন্ত্রীর পদমর্যাদায় উপদেষ্টা ছিলেন।

হেভিওয়েট এই আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী ইতোমধ্যে এই আসনের জনগনের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী ভোগাই নদীর দুইপাড়ে বাঁধ নির্মাণ, গারো পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যা হাতি-মানুষের সহাবস্থান, পর্যটনকেন্দ্র মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়ন ও হাসপাতাল সমূহকে ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের দাবি জানিয়ে বক্তব্য রেখে সাধারণ মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন।
সাধারণ মানুষের ধারণা, ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম চৌধুরী মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে নিজ যোগ্যতা ও দক্ষতা দিয়ে তিঁনি এই অঞ্চলের উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করতে পারবেন।

৩৩.৫°সে